web-ad

দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক মহামায়ার ‘মায়া’

mohamaya-lakeকাপ্তাই লেকের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক মহাময়া। এর বিমোহিত করা নৈসর্গিক দৃশ্যের টানে ছুটে যায় অগণিত দর্শনার্থী। দিনে দিনে এই লেকটি ভ্রমণপ্রিয় মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেচ প্রকল্পের অধীনে বাস্তবায়ন করা কৃত্রিম লেক ‘মহামায়া প্রকল্প’।

টইটুম্বুর জল পুরো লেকের সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ করে দিয়েছে। লেকের একধারে ইনটেক স্ট্রাকচার দিয়ে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে তৈরি হয়েছে ছোট এক জলপ্রপাত।

মিরসরাইয়ের পাহাড়ি রুপের সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে, সেখানে পর্যটন স্পট তৈরি করতে মহামায়া প্রকল্প বৃথা যায়নি। লেকের বিভিন্ন অংশে পাহাড়ের চূড়া, বন, সারি সারি বাগান, জুম চাষ, পাহাড়ি রকমারি ফুল সব কিছু মিলিয়ে মনটাকে পুলকিত করে তোলে মহামায়া।

ফাটাফাটি সব ভিডিও এবং ভিসির খবর পেতে জন্য চোখ রাখো আর সাবস্ক্রাইব করো আমাদের YouTube চ্যানেলে! Youtube: https://goo.gl/WH0ElU

লেকের আশেপাশে পাহাড়ের বুক চিরে আসা ছোট-বড় বেশ কয়েকটি পাহাড়ি ছড়া থেকে সৃষ্ট জলধারা এর সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় পর্যটকদের অবকাশ যাপনের জন্য পাহাড়ের খাঁজে নির্মাণ করা হবে অত্যাধুনিক কটেজ।

মিরসরাই উপজেলার ৮ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ঠাকুরদিঘী বাজার থেকে ২ কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে তোলা ১১ বর্গ কিলোমিটারের দীর্ঘ এই কৃত্রিম লেক।

এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ঝর্ণা ও রাবার ড্যাম। এখানে যে পাহাড়ি ঝর্ণা রয়েছে সেখানে ইঞ্জিনচালিত নৌকা করে যেতে হবে।

এছাড়া লেকের জলে ঘুরে বেড়ানোর জন্য রয়েছে ডিঙ্গি নৌকার ব্যবস্থা।

হাতে সময় নিয়ে গেলে ভ্রমণের বাড়তি পাওনা হিসাবে মহামায়া লেকের পানিপথে ইঞ্জিনচালিত বোট দিয়ে রামগড় হেঁয়াকো, ফটিকছড়িসহ পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় সহজে যাতায়াত করা যাবে।

যেভাবে যাবেন :

মিরসরাই বাসস্ট্যান্ড থেকে সিএনজি, অটোরিকশা বা অন্য কোনো বাহনে ঠাকুরদিঘী বাজার হয়ে মহামায়ায় যাওয়া যায়।

আপনার মতামত দিন....

মতামত